

ভুটানের একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল ধসে আটকে পড়া শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে নেপাল ও ভুটানের যৌথ উদ্ধারকারী দল এক রুদ্ধশ্বাস অভিযানে নামে। কিন্তু তারা জানত না যে ধ্বংসস্তূপের নিচে অবমুক্ত হয়েছে এক প্রাচীন অভিশাপ ও অলৌকিক শক্তি। জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ের পাশাপাশি এখন তাদের মুখোমুখি হতে হবে এক ভয়ঙ্কর অতিপ্রাকৃতিক শক্তির যা তাদের কর্মফলকে তাড়া করে ফিরছে।
সিনেমার সংক্ষিপ্ত তথ্য
- পরিচালক
- Kinley Tshering
- অভিনয়ে
- Sangay Tsheltrim, Anoop Bikram Shahi, Anna Sharma, Roshini Dada, Nidup Dorji, Phuntshok Dhonden, Deki Lhamo, Jamyang Tempa
- ধরন
- হরর, থ্রিলার
- ভাষা
- dz
- মুক্তির সময়
- 2026-10-09
গল্পের ধারণা: সুরঙ্গের নিচে লুকিয়ে থাকা আদিম অভিশাপ
'টানেল ২৬: দ্য কার্স বিনিথ দ্য মাউন্টেন' ছবিটির গল্প আবর্তিত হয়েছে ভুটানের একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুরঙ্গকে কেন্দ্র করে। একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণে হঠাৎ করেই এই টানেলটির প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যায়, যার ভেতরে আটকা পড়ে বহু নির্মাণ শ্রমিক এবং একদল সাধারণ শিক্ষার্থী। এই বিপর্যয় থেকে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে নেপাল এবং ভুটানের দক্ষ উদ্ধারকারী দল। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে শুরু হয় এক রুদ্ধশ্বাস উদ্ধার অভিযান, যেখানে প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু উদ্ধারকারীরা এবং টানেলের ভেতরে আটকে থাকা মানুষেরা কেউই জানত না যে এই ধসের পেছনে কেবল কোনো সাধারণ প্রাকৃতিক কারণ নেই। পাহাড়ের গভীর তলদেশে একটি প্রাচীন দরজা সিলগালা করা ছিল, যা এই দুর্ঘটনার ফলে দুর্ঘটনাবশত খুলে গেছে। এই দরজাটি উন্মুক্ত হওয়ার সাথে সাথেই মুক্তি পেয়েছে এক অতিপ্রাকৃতিক অশুভ শক্তি। টানেলের ভেতরে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে এক অদ্ভুত ক্ষতিকর প্রভাব, যা অবরুদ্ধ মানুষদের মনের অন্ধকার দিকগুলোকে জাগিয়ে তোলে।
আটকে পড়া ব্যক্তিরা কেবল পাথরের চাঁই বা অক্সিজেনের অভাবের সাথেই লড়াই করছে না, বরং তাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে মানুষের রূপ ধারণ করা এক আদিম অভিশাপের সাথে। ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, উদ্ধার পাওয়ার এই লড়াইয়ে বেঁচে থাকা কেবল শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভর করছে না, বরং তাদের অতীত কর্মফল এবং আধ্যাত্মিক শক্তির পরীক্ষাও দিতে হচ্ছে। এক শ্বাসরুদ্ধকর মনস্তাত্ত্বিক এবং অলৌকিক পরিবেশ সৃষ্টি করে গল্পটি এগিয়ে যায় চরম পরিণতির দিকে।
পরিচালক ও নির্মাণ: ভুটান ও নেপালের চলচ্চিত্রের ঐতিহাসিক মেলবন্ধন
এই উচ্চাভিলাষী প্রজেক্টটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন ভুটানের খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা কিনলে শেরিং (Kinley Tshering)। আন্তর্জাতিক মানের হরর-থ্রিলার তৈরির উদ্দেশ্যে তিনি ভুটানি লোকগাথা এবং আধুনিক থ্রিলার ঘরানার নিখুঁত সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন এই ছবিতে। পরিচালক শেরিং নিজেই জানিয়েছেন যে, পাহাড়ের পরিবেশ এবং স্থানীয় আধ্যাত্মিক বিশ্বাসকে সেলুলয়েডে ফুটিয়ে তোলা ছিল তার জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং রোমাঞ্চকর একটি অভিজ্ঞতা।
ছবিটির নির্মাণশৈলীতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বাস্তবসম্মত সেটিং এবং উন্নতমানের ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসের (VFX) ওপর। একটি দীর্ঘ পাহাড়ি টানেলের আবদ্ধ ও অন্ধকার পরিবেশকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে লাইটিং ও ক্যামেরার কাজে বিশেষ মুনশিয়ানা দেখানো হয়েছে। ভুটান এবং নেপালের প্রাকৃতিক লোকেশনগুলোতে ছবিটির শুটিং করা হয়েছে, যা দর্শকদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে। নেপাল ও ভুটানের এই যৌথ প্রযোজনা দক্ষিণ এশিয়ার সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জন্য এক নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিনেমাটির সাউন্ড ডিজাইন এবং আবহ সঙ্গীত এই ছবির অন্যতম প্রধান শক্তি হতে চলেছে। ভূগর্ভস্থ টানেলের গুমোট আওয়াজ, প্রতিধ্বনি এবং অশুভ শক্তির আগমনী সংকেতকে শব্দের মাধ্যমে এমনভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা দর্শকদের সিনেমা হলের সিটে সোজা হয়ে বসতে বাধ্য করবে। নির্মাণের প্রতিটি ধাপে পরিচালক কিনলে শেরিং তার নিজস্ব স্বাক্ষর রেখেছেন, যা দর্শকদের এক অনন্য সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা উপহার দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অভিনয়শিল্পী ও চরিত্র: দুই দেশের তারকাদের অনন্য যুগলবন্দী
'টানেল ২৬' ছবিতে অভিনয় করেছেন ভুটান এবং নেপালের একঝাঁক প্রতিভাবান ও জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী। ছবির অন্যতম প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে ভুটানের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেতা সাংগে শেলট্রিম (Sangay Tsheltrim)-কে, যিনি ইতিপূর্বে বলিউডের ছবিতে অভিনয় করে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। এই ছবিতে তাকে একজন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ উদ্ধারকারী কর্মকর্তার ভূমিকায় দেখা যাবে, যার কাঁধে রয়েছে আটকে পড়া মানুষদের বাঁচানোর কঠিন দায়িত্ব।
নেপালের জনপ্রিয় তারকা অনুপ বিক্রম শাহী (Anoop Bikram Shahi) এবং অরণ্যসুন্দরী আন্না শর্মা (Anna Sharma) এই ছবির কাস্টে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছেন। তাদের চরিত্রগুলো উদ্ধার অভিযানের মনস্তাত্ত্বিক দিক এবং আবেগঘন পরিস্থিতিকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। এছাড়া ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মডেল ও অভিনেত্রী রোশনি দাদা (Roshini Dada) এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যার উপস্থিতি রহস্যের কুয়াশাকে আরও ঘনীভূত করবে।
ভুটানের স্থানীয় প্রতিভাবান অভিনেতা নিদুপ দোর্জি (Nidup Dorji), ফুনতশোক ধন্দেন (Phuntshok Dhonden), ডেকি লামো (Deki Lhamo) এবং জামিয়াং তেম্পা (Jamyang Tempa) পার্শ্ব চরিত্রগুলোতে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। প্রত্যেকেই নিজ নিজ চরিত্রের মানসিক টানাপোড়েন এবং অতিপ্রাকৃতিক আতঙ্কের অনুভূতিকে অত্যন্ত সাবলীলভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন। কাস্টের এই বৈচিত্র্যময় সমাবেশ দর্শকদের ছবিটির সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত করতে সাহায্য করবে।
মুক্তির তারিখ ও কোথায় দেখবেন: বড় পর্দায় রোমাঞ্চের আগমন
চলচ্চিত্র প্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে 'টানেল ২৬: দ্য কার্স বিনিথ দ্য মাউন্টেন' সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে ২০২৬ সালের ৯ অক্টোবর (2026-10-09)। হ্যালোউইনের মৌসুমকে সামনে রেখে অক্টোবর মাসে ছবিটির মুক্তি হরর ঘরানার দর্শকদের জন্য একটি বড় উপহার হতে চলেছে। প্রাথমিকভাবে এটি ভুটান, নেপাল এবং ভারতের কিছু নির্বাচিত অঞ্চলের থিয়েটারগুলোতে একযোগে মুক্তি পাবে।
সিনেমাটি পরিবেশনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলো এটিকে আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন বড় চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের পরিকল্পনা করছে। থিয়েটার মুক্তির পর ছবিটি ইংরেজি সাবটাইটেলসহ বিভিন্ন দেশে মুক্তি দেওয়া হবে যাতে ভাষা কোনো বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। পাহাড়ের রহস্যময় পরিবেশ এবং সুরঙ্গের অন্ধকারকে বড় পর্দায় ডলবি সাউন্ড সিস্টেমের সাথে উপভোগ করার অভিজ্ঞতা অন্যরকম হবে বলেই সিনেমা হলগুলোতে এটি দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রেক্ষাগৃহে সফলভাবে প্রদর্শনের কয়েক মাস পর ছবিটি বিশ্বের যেকোনো বড় ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মে স্ট্রিম করার জন্য প্রস্তুত করা হবে। যদিও ওটিটি পার্টনারের নাম এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে ভেতরের খবর অনুযায়ী শীর্ষস্থানীয় কিছু ওটিটি জায়ান্ট ছবিটির ডিজিটাল স্বত্ব কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তির মাধ্যমে এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা দক্ষিণ এশীয় চলচ্চিত্র প্রেমীদের কাছে সহজেই পৌঁছে যাবে।
কেন দেখবেন এবং দর্শকদের প্রত্যাশা: মনস্তাত্ত্বিক ভয় ও লোকগাথার মেলবন্ধন
যদি আপনি সাধারণ জাম্প-স্কেয়ার নির্ভর হরর সিনেমা দেখে ক্লান্ত হয়ে থাকেন, তবে 'টানেল ২৬' আপনার জন্য একটি চমৎকার বিকল্প হতে পারে। এই ছবিটি কেবল ভূত-প্রেতের ভয় দেখানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মূলত মানুষের ভেতরের সুপ্ত ভয়, লোভ এবং অতীত পাপের কর্মফলকে কেন্দ্র করে তৈরি মনস্তাত্ত্বিক হরর। তিব্বতি বা হিমালয়ান লোকগাথা এবং বৌদ্ধ দর্শনের 'কর্মফল' বা 'কদর্য পুনর্জন্মের' ধারণাটি যেভাবে এই থ্রিলারে ব্যবহার করা হয়েছে তা সত্যিই অভিনব।
ভুটান ও নেপালের যৌথ সাংস্কৃতিক পটভূমিতে নির্মিত এই ছবিটিতে রয়েছে অসাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং একই সাথে এক রুদ্ধশ্বাস ও দমবন্ধ পরিবেশ। টানেলের ভেতরে আটকে থাকার আতঙ্ক দর্শকরা নিজেরাও সিনেমাটি দেখার সময় অনুভব করতে পারবেন। অসাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর এবং সাউন্ড ইফেক্ট এই রোমাঞ্চকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে।
তাছাড়া, সাংগে শেলট্রিম এবং অনুপ বিক্রম শাহীর মতো দুই দেশের শক্তিমান অভিনেতাদের স্ক্রিন শেয়ারিং দেখা যেকোনো চলচ্চিত্র প্রেমীর জন্যই এক দারুণ অভিজ্ঞতা হবে। গল্পে যেভাবে বিজ্ঞান বনাম অন্ধবিশ্বাস বা আধ্যাত্মিকতার দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা দর্শকদের সিনেমা শেষ হওয়ার পরও অনেকক্ষণ ভাবতে বাধ্য করবে। সব মিলিয়ে, এটি একটি অনন্য দক্ষিণ এশীয় হরর মাস্টারপিস হতে চলেছে যা আপনার দেখার তালিকায় থাকা উচিত।
বক্স অফিস সম্ভাবনা: দক্ষিণ এশীয় সিনেমার নতুন দিগন্ত
'টানেল ২৬' সিনেমাটির বাজেট এবং কাস্টিংয়ের স্কেল অনুযায়ী এর বক্স অফিস সম্ভাবনা অত্যন্ত ইতিবাচক দেখাচ্ছে। ভুটান এবং নেপাল—উভয় দেশেই হরর এবং থ্রিলার ঘরানার সিনেমার একটি বিশাল এবং ডেডিকেটেড দর্শকশ্রেণী রয়েছে। দুটি দেশের প্রথম সারির তারকাদের উপস্থিতি নিশ্চিতভাবেই সিনেমা হলগুলোতে দর্শক টানতে সক্ষম হবে এবং উদ্বোধনী দিনেই ভালো ব্যবসার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সিনেমাগুলোর আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা ইদানীংকালে অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সিনেমার ক্ষেত্রেও একই ট্রেন্ড দেখা যেতে পারে, বিশেষ করে ভারত এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশে বসবাসকারী হিমালয়ান কমিউনিটির মধ্যে সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। যদি ছবির প্রাথমিক রিভিউ এবং দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক হয়, তবে এটি ভুটান ও নেপালের যৌথ প্রযোজনার ইতিহাসের সবচেয়ে সফল সিনেমাগুলোর একটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।
সিনেমা বিশ্লেষকদের মতে, থিয়েট্রিকাল রিলিজের পাশাপাশি ডিজিটাল রাইটস এবং স্যাটেলাইট রাইটস বিক্রি থেকেও ছবিটির নির্মাতারা বিশাল অঙ্কের মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। এই ছবির সাফল্য ভবিষ্যতে ভুটান এবং নেপালের মতো উদীয়মান চলচ্চিত্র শিল্পের মধ্যে আরও বেশি আন্তর্জাতিক কো-প্রোডাকশনের পথ সুগম করবে, যা সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার সিনেমার মানোন্নয়নে সাহায্য করবে।
সাধারণ প্রশ্ন
'টানেল ২৬: দ্য কার্স বিনিথ দ্য মাউন্টেন' কবে মুক্তি পাবে?
সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ২০২৬ সালের ৯ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
এই সিনেমার মূল অভিনয়ে কারা রয়েছেন?
প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ভুটানি তারকা সাংগে শেলট্রিম এবং নেপালের জনপ্রিয় অভিনেতা অনুপ বিক্রম শাহী ও আন্না শর্মা।
সিনেমাটির মূল ভাষা কী এবং এটি কোন দেশের সিনেমা?
সিনেমাটির মূল ভাষা জোংখা (Dzongkha/dz), তবে এটি ভুটান এবং নেপালের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত একটি হরর-থ্রিলার ছবি।
ছবির গল্পটি কী নিয়ে তৈরি?
ভুটানের একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল ধসে আটকে পড়া শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের উদ্ধার অভিযান এবং সেখানে অবমুক্ত হওয়া এক প্রাচীন অভিশাপ ও অতিপ্রাকৃতিক শক্তির বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার লড়াই নিয়ে ছবির গল্প।
সিনেমাটি কি কোনো ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে?
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কয়েক মাস পর ছবিটি একটি শীর্ষস্থানীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ইংরেজি সাবটাইটেলসহ মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে ওটিটির নাম এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়নি।



